Associate Professor, Department of Radiation Oncology
National Institute of Cancer Research & Hospital (NICRH), Dhaka
অভিজ্ঞ জরায়ুমুখ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
এই নিবন্ধটি ডাঃ রুবিনা সুলতানা কর্তৃক আন্তর্জাতিক গাইডলাইন (NCCN, ASCO, ESMO)-অনুসরণে প্রণীত।

জরায়ুমুখ ক্যান্সারে রেডিওথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সংক্ষেপে জানুন:

জরায়ুমুখ ক্যান্সারের চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি একটি অত্যন্ত কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। তবে অনেক রোগী চিকিৎসা শুরুর আগে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। বাস্তবে অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাময়িক, সহনীয় এবং সঠিক ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বর্তমানে IMRT (Intensity-Modulated Radiotherapy) ও IGRT (Image-Guided Radiotherapy)-এর মতো আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে আশেপাশের স্বাভাবিক অঙ্গকে অনেকাংশে সুরক্ষিত রেখে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। ফলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আগের তুলনায় কম হয় এবং অধিকাংশ রোগী নিরাপদভাবে সম্পূর্ণ চিকিৎসা শেষ করতে পারেন।

সাধারণ (স্বল্পমেয়াদি) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

রেডিওথেরাপি চলাকালীন বা চিকিৎসা শেষ হওয়ার কিছুদিন পর্যন্ত কিছু সাময়িক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং ধীরে ধীরে কমে যায়।

দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

কিছু রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসার কয়েক মাস বা বছর পর দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তবে আধুনিক রেডিওথেরাপি প্রযুক্তির কারণে গুরুতর জটিলতার ঝুঁকি বর্তমানে তুলনামূলক কম।

ব্র্যাকিথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ব্র্যাকিথেরাপি জরায়ুমুখ ক্যান্সারের চিকিৎসার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে টিউমারের খুব কাছাকাছি স্থানে সরাসরি রেডিয়েশন দেওয়া হয়। এর ফলে টিউমারে কার্যকর ডোজ দেওয়া সম্ভব হলেও আশেপাশের স্বাভাবিক টিস্যুর ক্ষতি তুলনামূলক কম হয়।

চিকিৎসার পর কিছু সাময়িক অস্বস্তি দেখা দিতে পারে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলো কয়েক দিনের মধ্যে কমে যায়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমানোর উপায়

সঠিক যত্ন ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে বেশিরভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

কখন ডাক্তারের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করবেন?

রেডিওথেরাপি চলাকালীন বা চিকিৎসার পরে নিচের যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

জরায়ুমুখ ক্যান্সারের রেডিওথেরাপি ও ব্র্যাকিথেরাপি অভিজ্ঞ রেডিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত। সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়মিত ফলো-আপের মাধ্যমে অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

👉 জরায়ুমুখ ক্যান্সারের আধুনিক রেডিওথেরাপি, ব্র্যাকিথেরাপি ও সমন্বিত চিকিৎসা সম্পর্কে পরামর্শের জন্য ঢাকার অন্যতম অভিজ্ঞ জরায়ুমুখ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাঃ রুবিনা সুলতানার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ডাঃ রুবিনা সুলতানার চেম্বারসমূহ