ঢাকার সেরা টিউমার বিশেষজ্ঞ – ডাঃ মোসাম্মাৎ রুবিনা সুলতানা

বেনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক চিকিৎসা

MBBS, BCS (Health), FCPS (Radiotherapy), IAEA সার্টিফাইড (Radiotherapy & Brachytherapy)

সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা

কনসালট্যান্ট, আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার ও জেনারেল হাসপাতাল

কনসালট্যান্ট, ডেল্টা হাসপাতাল লিমিটেড

কনসালট্যান্ট, এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

রোগী-ভিত্তিক বিশেষায়িত টিউমার চিকিৎসা — পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও সহানুভূতিশীল।

আরও দেখুন: ব্রেস্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ · জরায়ু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ · নারী ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ · কেমোথেরাপি বিশেষজ্ঞ · ফুসফুস ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ

ডাঃ রুবিনা সুলতানা – টিউমার বিশেষজ্ঞ, ঢাকা
ডাঃ রুবিনা সুলতানা – টিউমার বিশেষজ্ঞ, ঢাকা

ঢাকার দক্ষ টিউমার চিকিৎসক

ঢাকার একজন অভিজ্ঞ টিউমার ও ক্যান্সার চিকিৎসক হিসেবে ডাঃ রুবিনা সুলতানা আধুনিক রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি ও ব্র্যাকিথেরাপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এভিডেন্স-বেইজড চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি ব্রেস্ট ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার, হেড-এন্ড-নেক, ব্রেইন ও জিআই টিউমারসহ বিভিন্ন ক্যান্সারের চিকিৎসা পরিকল্পনায় দক্ষ।

অভিজ্ঞ টিউমার বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি সঠিক ডায়াগনোসিস, স্টেজিং এবং রোগীর অবস্থার ওপর ভিত্তি করে রোগীকেন্দ্রিক (Personalized) চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করেন এবং প্রয়োজনে IMRT/IGRT/SBRT এর মতো উন্নত প্রযুক্তির চিকিৎসা প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি কিউরেটিভ কেয়ারের পাশাপাশি প্যালিয়েটিভ সাপোর্টও প্রদান করে থাকেন। চিকিৎসা চলাকালে রোগীর কমফোর্ট ও এভিডেন্স-বেইজড চিকিৎসা প্রদান তাঁর প্র্যাকটিসের মূল নীতি।

অস্বাভাবিক গিঁট বা ফোলা, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, অজানা কারণে ওজন কমে যাওয়া অথবা বায়োপসিতে টিউমার শনাক্ত হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রারম্ভিক চিকিৎসা রোগ নিরাময়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট

যোগ্যতা

বিশেষায়ন

চেম্বার তথ্য

হোমপেজে চেম্বারের বিস্তারিত দেখুন

স্বীকৃত স্বাস্থ্য পোর্টালে প্রোফাইল

প্রোফাইলগুলো দেখুন

রোগীর রিভিউ

রিভিউ পড়ুন

টিভি সাক্ষাৎকার

টিভি সাক্ষাৎকার দেখুন

গবেষণা ও প্রকাশনা

গবেষণা দেখুন

❓ সাধারণ প্রশ্নোত্তর

ঢাকার সেরা টিউমার বিশেষজ্ঞ কে?

২২ বছরের অধিক ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোসাম্মাৎ রুবিনা সুলতানা টিউমার ও ক্যান্সার চিকিৎসার একজন খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ।

টিউমার হলে কোন ডাক্তার দেখাবো?

টিউমার দেখা দিলে প্রথমেই ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার (Oncologist)-এর পরামর্শ নেওয়া উচিত। তিনি পরীক্ষা করে নির্ধারণ করবেন টিউমারটি ক্যান্সারজনিত কিনা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি বা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিতে পারেন। তাই টিউমার দেখা দিলে দেরি না করে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত।

কখন টিউমার বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত?

শরীরে অস্বাভাবিক ফোলা বা গিঁট, দীর্ঘদিনের ব্যথা, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া অথবা সন্দেহজনক কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত টিউমার বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত।

বেনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের পার্থক্য কী?

বেনাইন টিউমার সাধারণত ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের অন্য অংশে ছড়ায় না। ম্যালিগন্যান্ট টিউমার (ক্যান্সার) দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং শরীরের অন্যত্র ছড়াতে পারে।

টিউমারের চিকিৎসায় কি কি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?

টিউমারের ধরণ ও স্টেজ অনুযায়ী রেডিয়েশন থেরাপি, কেমোথেরাপি, ব্র্যাকিথেরাপি এবং প্রয়োজনে সার্জারি ও সাপোর্টিভ কেয়ার ব্যবহার করা হয়।

কোন টিউমারে কোন চিকিৎসা উপযোগী?

টিউমারের ধরণ, স্টেজ ও রোগীর শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে রেডিয়েশন থেরাপি, কেমোথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি বা ব্র্যাকিথেরাপি নির্ধারণ করা হয়।

টিউমারে কি সব সময় সার্জারি দরকার হয়?

সবসময় নয়। অনেক ক্ষেত্রে রেডিয়েশন থেরাপি বা কেমোথেরাপির মাধ্যমেও টিউমার নিয়ন্ত্রণ বা চিকিৎসা সম্ভব।

টিউমার চিকিৎসা কতদিন চলতে পারে?

রেডিয়েশন থেরাপি সাধারণত ৩–৬ সপ্তাহ চলে এবং কেমোথেরাপি কয়েক মাস ধরে নির্দিষ্ট চক্রে দেওয়া হতে পারে।

ম্যালিগন্যান্ট টিউমার কি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য?

অনেক ক্ষেত্রে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার শুরুতেই সনাক্ত হলে এবং সঠিক চিকিৎসা পেলে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।

টিউমার চিকিৎসার পরে পুনরায় ফিরে আসতে পারে কি?

কিছু ক্ষেত্রে টিউমার পুনরায় ফিরে আসতে পারে। তাই চিকিৎসার পর নিয়মিত ফলো-আপ ও পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বেনাইন টিউমারের চিকিৎসা কি জরুরি?

অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেনাইন টিউমার বিপদজনক নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে ফলো-আপ বা চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।

ফেসবুকে অনুসরণ করুন

ফেসবুকে ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন